Adsence Advertise

Pages

Advertise

Copyright @ 2016 tarekurrahman. Theme images by MichaelJay. Powered by Blogger.
Showing posts with label lifestyle. Show all posts
Showing posts with label lifestyle. Show all posts

দুশ্চিন্তা দূর করার সহজ উপায়




সত্য মনোবিজ্ঞানের ভাষায় সত্য চিন্তার বিপরীত হচ্ছে দুশ্চিন্তা। সত্য চিন্তা মানুষের প্রকৃতিজাত। সত্য চিন্তায় থাকে সত্য বিশ্বাস। সত্য বিশ্বাস মানে ধর্মীয় বিশ্বাস। প্রত্যেক মানুষ কোনো না কোনো ধর্মে বিশ্বাসী। তবে ইসলামই হচ্ছে আল্লাহর মনোনীত জীবন বিধান। মানুষ যখন নিজের ইচ্ছাকে কেন্দ্র করে তার কর্মপরিচালনা করতে চায়, তখন তার মনের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এই দ্বান্দ্বিক মনোভাব তাকে নানা ধরনের বুদ্ধির কূটকৌশলে আটকে রেখে নানা জটিলতার সৃষ্টি করে। এ ধরনের মন সব সময় অসুস্থ থাকে। আরো স্পষ্টভাবে বলা যায়, মানুষ যখন তার মনের আনুগত্য করে তখন সেখানে সত্যের আনুগত্য বিলুপ্ত হয়ে যায়। কামনা-বাসনাকে যারা ইলাহ্ (উপাস্য) বানিয়ে নেয়, তারা মনের আনুগত্যের কারণে দিশেহারা হয়ে যায়। তাদের মনের মধ্যে বিরাজ করে দুশ্চিন্তা। সত্য চিন্তা, ইতিবাচক চিন্তা তাদের মন থেকে দূরীভূত হয়ে যায়। তাই দুশ্চিন্তার বড় ওষুধ বিশ্বাসের আনুগত্য। বিশ্বাসের ভিত্তিতেই তার মনে সত্য চিন্তার বিকাশ হবে। সত্য চিন্তার বিকাশ হলে তার মন সুন্দর এবং পবিত্র হয়ে যাবে। যেমন পার্থিব জীবন ও তার চাকচিক্য থেকে নিজেকে মুক্ত রেখে মহান আল্লাহর আনুগত্যে নিবেদিত হবে সে মন শক্তিশালী হবে। এমন কোনো সহজাত বস্তুকে ভয় করে না। দুনিয়াবি কোনো শক্তির ভয়ে সে ভীত হবে না। সর্বক্ষণ, সর্বকাজে এ মনের ভরসা হবে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা। বলুন তো, এ ধরনের মনে কখনো কি দুশ্চিন্তা বাসা বাঁধতে পারে?
 যখন আমাদের মনে কোনো দুশ্চিন্তার ছায়া আমরা দেখতে পাবো, তৎক্ষণাৎ আমাদের আত্মবিশ্লেষণ করতে হবে। বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে, কোথাও আমাদের বিশ্বাসে কিংবা ভরসায় অন্য কোনো শক্তির অনুপ্রবেশ ঘটেছে কি না। সাপ, বিচ্ছু, সিংহ, বাঘ বা অন্য কোনো শক্তির ভয়ে আমরা ভীত কি না। কিংবা কোনো লোভলালসার প্রলোভন মনকে বিপথগামী করছে কি না। মন যখন ইচ্ছার আনুগত্য করে, অর্থের আনুগত্য করে, সামাজিক শক্তির আনুগত্য করে, নাম-খ্যাতির আনুগত্য করে, তখন বুঝতে হবে মন তার মনের আনুগত্যে ব্যস্ত রয়েছে।

 সত্য মনোবিজ্ঞানের বিশ্লেষণে এ ধরনের মন সব সময় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকে। তাই মনকে তার মনের আনুগত্য ত্যাগ করে মহান আল্লাহর আনুগত্যে ফিরিয়ে আনতে পারলেই দুশ্চিন্তা কেটে যাবে। মনের প্রশান্তি ফিরে আসবে। মনকে দুশ্চিন্তামুক্ত রাখার প্রধান উপায় হচ্ছে, মহান আল্লাহকে একমাত্র অভিভাবক হিসেবে আনুগত্য করা। যে মন আল্লাহর বিধানের অনুসারী হবে, সে মন সব সময় প্রফুল্ল থাকবে। মহানবী সা:-এর অনুসারী মন-ই সত্যিকার ভালো মন। মনে রাখতে হবে, যে মন তার মনের আনুগত্য করবে সে মনে সব সময় ভয়, অস্থিরতা, আতঙ্ক, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় নিমজ্জিত থাকবে। এ ধরনের মন শয়তানের অনুসারী মন। প্রচলিত মনোবিজ্ঞানে দুশ্চিন্তামুক্ত মনের জন্য অনেক কথা বলা হয়েছে। কাউন্সেলিং এবং পদ্ধতিগত বেশ কিছু উপায়-উপকরণের নির্দেশনাও রয়েছে এসব ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদে। মনোবিশ্লেষণ, মনোকথন, মেডিটেশন, ডায়ানেটিকস, মনোথেরাপি, মিউজিক থেরাপি প্রভৃতি অনেক পদ্ধতি রয়েছে দুশ্চিন্তা লাঘবে উপায় হিসেবে। এ ধরনের বিভিন্ন ব্যবস্থাপনায় মানসিক দুশ্চিন্তা লাঘবের যেসব পদ্ধতি রয়েছে, তা দ্বারা মনের সাময়িক উন্নয়ন প্রশান্তি লাভ সম্ভব হলেও সত্যিকার সাফল্যের হার খুবই কম। তাই সত্য মনোবিজ্ঞান (True Psychology) সত্যিকার মনোপ্রশান্তির জন্য ধর্মীয় বিশ্বাস প্রতিস্থাপনে বিশ্বাসী। বহু রোগীর জীবনবৃত্তান্ত বিশ্লেষণ করে আমরাও বলতে চাই, দুশ্চিন্তা লাঘবের প্রধান এবং একমাত্র উপায় হচ্ছে ধর্মীয় বিশ্বাসের অনুশীলন। ইসলামের মহান বিধানে দুশ্চিন্তার কোনো অস্তিত্ব নেই। কারণ, ইসলামে আনুগত্যশীল ব্যক্তির প্রধান ভরসা এবং অভিভাবক হচ্ছে- স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা। সুতরাং মনোভাব শুধু আল্লাহর অনুগত রাখতে পারলে সে মনে কখনো কোনোভাবেই দুশ্চিন্তা বাসা বাঁধতে পারবে না। তাই আবারো বলছি, আল্লাহর আনুগত্যশীল মন কখনো কোনোভাবেই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হতে পারে না।
-ইসলামিক সাইকোথেরাপি ফিচার

যে ৫ টি কথা সঙ্গীকে বলতে নেই




.বারবার এমন কিছু বলবেন না যেটা আপনি চান না যে সত্য হোক। শব্দ হলো মস্তিষ্কের জন্য এক ধরনের নির্দেশনা। ফলে, শব্দ একই সঙ্গে আমাদের চিন্তা, সিদ্ধান্ত এবং কাজকে প্রভাবিত করে। যেমন, তারা তাদের সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে এখনো প্রেম করছেন—এ রকম কথা আপনার বারবার বলা উচিত হবে না। কেননা এর মাধ্যমে আপনি তাদের মস্তিষ্ককে এটা যে সত্য, তা ভাবতে নির্দেশনা দিচ্ছেন। এর চেয়ে আপনি এমন সব শব্দ ব্যবহার করুন, আপনি যেমন সম্পর্ক চান তার মন সেদিকেই ধাবিত হয়।

২. অবিশ্বাস বা নিরাপদ বোধ না করলে সঙ্গীকে অপ্রয়োজনীয় কোনো চরম শর্ত দেবেন না। যেমন, ধরুন ‘হয় তোমার বন্ধুরা নয়তো আমি’। সম্পর্কের ক্ষেত্রে যদি নিরাপদ বোধ না করা বা অবিশ্বাস এসেই যায়, তবে এ ধরনের শর্তারোপ কোনো সমাধান দেবে না। এটি আপনার উদ্বেগই প্রকাশ করে।

৩.সঙ্গীকে কখনো বলবেন না, ‘তোমার পরিবার আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়’। এ রকম কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। যদি আপনার সঙ্গীর পরিবার তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয় তবে তা আপনার কাছেও গুরুত্ব পাওয়া উচিত। কোনো কারণে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে আপনার কোনো ঝামেলা থাকলেও সম্পর্কের খাতিরে সৌজন্য বজায় রাখুন।

৪.‘তুমি সবসময়...’ অথবা ‘তুমি একমাত্র...’ এমন জাতীয় কথা এড়িয়ে চলুন। কেননা এগুলো খুব একটা সত্য নয় এবং সঙ্গীর সঙ্গে এ ধরনের বাক্য বিনিময়, পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে তোলে। বরং আপনি আরও সুনির্দিষ্ট করে ‘প্রায়শই’ বা ‘প্রায় ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রেই’ ইত্যাদি শব্দ বা বাক্য ব্যবহার করতে পারেন।

.বর্ণনা দিয়ে কোনো কথাবার্তা বললে সঙ্গীর মনে হবে ওই ব্যাপারে আপনি মনস্থির করে ফেলেছেন। তাই ইতিবাচকভাবে আপনার চিন্তাকে প্রকাশ করার জন্য সুনির্দিষ্ট করে প্রশ্ন করা অথবা বিষয়টি নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করা উচিত। যেমন ধরুন, আপনি বাইরে থেকে এসে সঙ্গীকে বললেন, তুমি একটু বিহ্বল থাকো তাই আমি জানি না কখন এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলা উচিত। এভাবে না বলে বরং আপনি বলুন, কাজ থেকে বা তুমি বাইরে থেকে ফেরার পর একটু ‘বিরক্ত’ থাকো...ফলে আমি উদ্বিগ্ন থাকি কখন আমাদের কথাটি বলা উচিত?


যদি সফল হতে চান



সফল হতে চাইলেই তো আর সফল হওয়া যায় না। তবে সফল হতে গেলে যেটা সবার আগে প্রয়োজন, তা হল মানসিকভাবে শক্ত হওয়া। কিন্তু অনেকেই মনের জোড় না বাড়িয়ে নিজের ভাগ্যকেই দোষারোপ করতে থাকেন। পরিস্থিতি যে সব সময় অনুকূল হবে তা কিন্তু নয়। পরিস্থিতি আপনার প্রতিকূলেও যেতে পারে, এটা অবশ্যই মাথায় রাখা দরকার। সেই কথা মাথায় রেখেই যে কোনও নতুন কাজ করা উচিত। তবে মানসিক ভাবে শক্ত হওয়ার জন্য নিজের মনকেই সবার আগে স্থির করতে হবে। কীভাবে নিজের মনের জোড় বাড়িয়ে সফল হওয়া যায় জেনে নিন।

লক্ষ্যে স্থির হওয়া
 

আপনার পাশে যদি কেউ না দাঁড়ায় তাহলে ভয় পাবেন না। নিজেই নিজের সব থেকে বড় লাঠি হয়ে দাঁড়ান। যদি কেউ আপনার সঙ্গে চলতে না চায় তাহলে একলাই চলুন। সাফল্য পাওয়ার পর কারোর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে না।

পরিবর্তনকে ভয় না পাওয়া
আপনার রোজকার জীবনে যদি কোনও পরিবর্তন ঘটে তাহলে ভয় পাবেন না। জানবেন সব পরিবর্তন আপনার প্রতি এক একটা চ্যালেঞ্জ। তাই ভয় না পেয়ে পরিবর্তনকে আপন করে নিন।

নিজের প্রতি দুঃখিত না হওয়া

নিজের প্রতি কখনওই দুঃখিত বোধ করবেন না। নিজেকে আহারে বলার কোনও দরকার নেই এতে আপনার সময়ই নষ্ট হবে। আখেরে আপনার কোনও লাভ হবে না। সেখান থেকে উঠে দাঁড়ান। কাজে দেবে।

তাদের না পারা কাজ না করা
ধরুন এমন কাজ যা আপনার ঠিক পছন্দ নয়। তাই আপনি ঠিক পারবেন না। এমনকি আপনার মনে কাজের প্রতি অতটা কনফিডেন্ট নেই। তখন সেই কাজ না করাই ভালো। যে কাজ আপনি মন থেকে ভালবাসেন সেই কাজ করুন।

অন্যের কথার গুরুত্ব না দেওয়া

কে কি বলল তাতে আপনার কি! কারোর কথায় গুরুত্ব দেওয়া ছেড়ে দিন। নিজের জীবন কীভাবে কাটাবেন, কী কাজ করে ভালো থাকবেন তা একান্ত আপনার সিদ্ধান্ত। আপনার জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব অন্য কারোর হাতে কখনওই দেবেন না।

ভাগ্যকে দোষারোপ না করা
কি হয়নি তা নিয়ে বেশি ভাবনা চিন্তা করার দরকার নেই। কি হতে পারে সেই নিয়ে ভাবনা চিন্তা করুন। তাতে আপনার সময়ও বাঁচবে এবং নিজের মনোবলও বাড়বে।

একই ভুল বার বার না করা
একই ভুল বার বার করার কোনও মানেই হয়না। বার বার একই ভুল করতে থাকলে আস্তে আস্তে নিজের মনোবল ভেঙে যাবে। তাই একই ভুল বারবার না করে ধীরে সুস্থে কাজ করুন।

অন্যের খুশিতে খুশি না হওয়া
অন্যের খুশিতে খুশি হওয়ার চেষ্টা করুন। মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখুন। দেখবেন আপনার সাফল্যতে এবং খারাপ সময় অনেকের সঙ্গ পাবেন। তবে যদি অন্যের খুশিতে খুশি না হন তাহলে আপনি ভেঙে পড়বেন।

প্রথমবার সফল হতে না পেরে ভেঙে পড়া

যদি প্রথময়ার সফল হতে না পারেন, তাহলে আবার চেষ্টা করুন। দেখুন চেষ্টা না করলে কেউই কখনও সফল হতে পারে না। তাই প্রথমবার যদি কোনও ভাবে সফল হতে না পারেন তাহলে ভেঙে না পড়ে শক্ত হয়ে উঠে দাঁড়ান।

একাকিত্বকে ভয় না পাওয়া
আপনার সঙ্গে কেউ না থাকলেও একাকীত্বকে ভয় পাবেন না। যদি খারাপ সময় কেউ আপনার পাশে দাঁড়াতে না চায় তাহলে ক্ষতি কি। একাই পরিস্থিতির মোকাবিলা করুন। দেখবেন এতে আপনার মন যেভাবে শক্ত হবে তা কখনওই ভাঙা যাবে না।

ধীর স্থিরভাবে কাজ করা

যখন পরিস্থিতি আপনার অনুকূল না হবে, তখন ধীর স্থিরভাবে কাজ করুন। তাড়াহুড়ো করে কাজ করলে কিছুই হবে না। অনেক ভুল হয়ে যাবে। তাই পরিস্থিতি আপনার প্রতিকূল হলে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করুন।

কাজের পর নিজেকে জাহির না করা
আপনি আপনার লক্ষ্যে স্থির থাকুন। যাতে কেউ না আপনাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করতে পারে। সফল হওয়ার পর নিজেকে জাহির করবেন না। কারণ নিজের ঢাক নিজে না পেটানোই ভালো। এতটা আপনার নিজের পক্ষেও খুব একটা ভালো হবে না।

সূত্র: জিনিউজ

যে ধরনের মানুষ বেশি বুদ্ধিমান



ঘরদোর নোংরা করে রাখেন? অগোছালো ঘরে এলোমেলো পড়ে থাকে আপনার জিনিসপত্র? কেউ গোছাতে গেলে উল্টে রেগে যান? এজন্য হজম করতে হয় মায়ের বকুনি? একই কারণে বউ খিটখিট করেন বা বান্ধবী বিরক্তি প্রকাশ করেন? করতে দিন, আর আপনি থাকুন আপনার মতো। কেন? বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই অগোছালো মানুষই অন্যদের তুলনায় বেশি বুদ্ধিমান। একইসঙ্গে তারা সৃজনশীলও। বিজ্ঞানীদের দাবি, অগোছালো মানুষরা উদ্ভাবনী চিন্তায় বেশি করে মনোনিবেশ করতে পারেন। তাদের মস্তিষ্ক ভালো কাজ করে। বুদ্ধি খেলে। ফলে কাজের ডেস্ক বা ঘর নোংরা হয়ে থাকলেও চিন্তা করার দরকার নেই। মানুষের আচরণ নিয়ে বিজ্ঞানের নিত্যনতুন গবেষণা বিষয়ক লেখক এরিক বার্কার টাইম ম্যাগাজিনে এক নিবন্ধে জানান, কেউ যদি ভেতর থেকেই অসংগঠিত হন, মানে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই সবকিছু এলোমেলো করে রাখেন, এসব নিয়ে মাথা না ঘামান, দেখা গেছে তাদের মধ্যে উদ্ভাবনী ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে বেশি। মনের দিক থেকেও তারা সৃজনশীল। অলস মানুষের সঙ্গে তুলনা করে নিবন্ধে বলা হয়, যারা অলস তারা কাজের সময় সহজ পথটা খুঁজে নিতে পারেন। তাদের লাইফস্টাইলেই অগোছালো, এলোমেলো ব্যাপারটা রয়ে গেছে; তাই তারা চারপাশের হই-হট্টগোল, অশান্তির মধ্যে থেকেও মাথা খাটাতে পারেন। তারা নিজের কাজটা ঠিকঠাক করে বেরিয়ে যেতে পারেন। তাদের চিন্তায় এর কোনো প্রভাবই পড়ে না। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

Popular Posts

Adsence Advertise