Adsence Advertise

Pages

Advertise

Copyright @ 2016 tarekurrahman. Theme images by MichaelJay. Powered by Blogger.

মানসিক দক্ষতা (Mental Ability) বিষয়ের উপর ১০০টি MCQ

 

 নিচে মানসিক দক্ষতা (Mental Ability) বিষয়ের উপর ভিত্তি করে ১০০টি MCQ (বহুনির্বাচনি প্রশ্ন) তৈরি করা হয়েছে, প্রতিটির সঠিক উত্তরসহ। এগুলো বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির জন্য উপযোগী।



✅ মানসিক দক্ষতা MCQ (১–২৫)

  1. নিচের কোনটি ভিন্ন?
    ক) কলম খ) খাতা গ) বই ঘ) চেয়ার
    উত্তর: ঘ) চেয়ার

  2. যদি A = 1, B = 2, ..., Z = 26 হয়, তাহলে "DOG" এর মান কত?
    ক) 26 খ) 30 গ) 34 ঘ) 35
    উত্তর: গ) 34 (D=4, O=15, G=7 → 4+15+7)

  3. যদি 2+3 = 13, 3+4 = 25, তাহলে 4+5 = ?
    ক) 41 খ) 45 গ) 30 ঘ) 29
    উত্তর: খ) 45
    (2×3 = 6, 2+3=5 → 6+7 = 13) (3×4=12 +13 =25), (4×5=20 +25 =45)

  4. REFRESH শব্দটি উল্টো করলে ৩য় অক্ষর কী হবে?
    ক) E খ) F গ) H ঘ) S
    উত্তর: গ) H (HSERFER)

  5. 1, 3, 6, 10, 15, ?
    ক) 21 খ) 22 গ) 20 ঘ) 25
    উত্তর: ক) 21 (+2, +3, +4...)

  6. একটি সংখ্যার তিনগুণে 4 যোগ করলে 25 হয়। সংখ্যাটি কত?
    ক) 5 খ) 6 গ) 7 ঘ) 8
    উত্তর: খ) 7

  7. যদি PEN = 35 হয়, তাহলে INK = ?
    ক) 29 খ) 30 গ) 34 ঘ) 40
    উত্তর: গ) 34 (I=9, N=14, K=11 → 9+14+11)

  8. যদি CAT = 24, তাহলে DOG = ?
    ক) 26 খ) 27 গ) 34 ঘ) 25
    উত্তর: গ) 34

  9. নিম্নোক্ত কোনটি ভিন্ন?
    ক) লাল খ) নীল গ) হলুদ ঘ) গোলাপ
    উত্তর: ঘ) গোলাপ (অন্যান্যগুলো রং, এটি ফুল)

  10. 16, 8, 4, 2, ?
    ক) 0 খ) 1 গ) 0.5 ঘ) 1.5
    উত্তর: খ) 1

  11. নিচের কোন শব্দটি অন্যদের থেকে আলাদা?
    ক) কম্পিউটার খ) ল্যাপটপ গ) প্রিন্টার ঘ) ক্যালকুলেটর
    উত্তর: গ) প্রিন্টার (অন্যগুলো প্রসেসর, এটি আউটপুট ডিভাইস)

  12. দুটি সংখ্যার যোগফল 20 এবং তাদের পার্থক্য 4 হলে, বড় সংখ্যাটি কত?
    ক) 10 খ) 12 গ) 14 ঘ) 16
    উত্তর: খ) 12

  13. 2, 6, 12, 20, ?
    ক) 30 খ) 32 গ) 35 ঘ) 28
    উত্তর: ক) 30

  14. HAT → IBU, BAT → ?
    ক) CBU খ) CBU গ) CAV ঘ) CAT
    উত্তর: ক) CBU

  15. 9, 27, 81, ?
    ক) 162 খ) 243 গ) 100 ঘ) 54
    উত্তর: খ) 243

  16. যদি A = 1, Z = 26, তাহলে M + N = ?
    ক) 27 খ) 25 গ) 24 ঘ) 28
    উত্তর: ঘ) 28 (M=13, N=14)

  17. 3, 5, 9, 17, ?
    ক) 33 খ) 30 গ) 28 ঘ) 25
    উত্তর: ক) 33 (+2, +4, +8, +16)

  18. নিম্নের কোনটি গাণিতিক যুক্তির উপর ভিত্তি করে নয়?
    ক) 1, 4, 9, 16 খ) 2, 4, 6, 8 গ) 3, 5, 7, 10 ঘ) 5, 10, 15, 21
    উত্তর: ঘ) 5, 10, 15, 21 (শেষটি ভিন্ন)

  19. LION এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
    ক) WOLF খ) TIGER গ) DEER ঘ) NONE
    উত্তর: গ) DEER (Lion শিকারি, Deer শিকার)

  20. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 12 এবং প্রস্থ 8 হলে, ক্ষেত্রফল কত?
    ক) 96 খ) 100 গ) 80 ঘ) 92
    উত্তর: ক) 96

  21. ABC, DEF, GHI, ?
    ক) JKL খ) KLM গ) LMN ঘ) NOP
    উত্তর: ক) JKL

  22. BCS: CIVIL = PSC : ?
    ক) EXAM খ) COMMISSION গ) PUBLIC ঘ) SERVICE
    উত্তর: খ) COMMISSION

  23. 6 × 2 = 12, 7 × 3 = 21, তাহলে 9 × 4 = ?
    ক) 36 খ) 32 গ) 36 ঘ) 27
    উত্তর: ক) 36

  24. একটি গাড়ি 60 কিমি/ঘণ্টা গতিতে 2 ঘণ্টায় কত দূরত্ব অতিক্রম করে?
    ক) 100 কিমি খ) 110 কিমি গ) 120 কিমি ঘ) 150 কিমি
    উত্তর: গ) 120 কিমি

  25. যদি ALL = 12 হয়, BALL = ?
    ক) 14 খ) 15 গ) 17 ঘ) 16
    উত্তর: গ) 17

    ✅ মানসিক দক্ষতা MCQ (২৬–৫০)

    1. এক ব্যক্তি তার বয়সের দ্বিগুণ হলে তা 50 হবে। বর্তমান বয়স কত?
      উত্তর: 25

    2. 2, 4, 8, 16, ?
      উত্তর: 32

    3. যদি 3 × 3 = 18 এবং 4 × 4 = 32, তাহলে 5 × 5 = ?
      উত্তর: 50

    4. নিচের কোনটি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পর্ক নয়?
      ক) শিক্ষক - ছাত্র
      খ) ডাক্তার - হাসপাতাল
      গ) চাষি - লাঙ্গল
      ঘ) বই - কম্পিউটার
      উত্তর: ঘ)

    5. যদি H = 8, E = 5, তাহলে HE = ?
      উত্তর: 13

    6. 5, 10, 20, 40, ?
      উত্তর: 80

    7. 1, 4, 9, 16, 25, ?
      উত্তর: 36

    8. 2 + 2 × 2 = ?
      উত্তর: 6 (বোডমাস অনুযায়ী)

    9. 12 – 3 × 2 + 4 = ?
      উত্তর: 10

    10. একটি সংখ্যার বর্গ 144, সংখ্যা কত?
      উত্তর: 12

    11. যদি TEA = 26, তাহলে EAT = ?
      উত্তর: 26 (উল্টালেও মান একই)

    12. নিম্নের কোনটি ত্রিভুজ নয়?
      ক) সমকোণ খ) সমদ্বিভুজ গ) বর্গ ঘ) সমবাহু
      উত্তর: গ)

    13. CAT শব্দের পরবর্তী শব্দ কী?
      উত্তর: CAU

    14. একটি সংখ্যার দ্বিগুণের সাথে 10 যোগ করলে হয় 50। সংখ্যা কত?
      উত্তর: 20

    15. যদি 5^2 = 25 হয়, তাহলে 6^2 = ?
      উত্তর: 36

    16. BIRD : FLY :: FISH : ?
      উত্তর: SWIM

    17. নিচের কোনটি জোড়া সম্পর্কযুক্ত নয়?
      ক) কাগজ - কলম
      খ) চাল - ভাত
      গ) রুটি - পান
      ঘ) পানি - আগুন
      উত্তর: ঘ)

    18. RIGHT এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
      উত্তর: LEFT

    19. যদি B = 2, D = 4, তাহলে J = ?
      উত্তর: 10

    20. নিম্নোক্ত কোনটি সংখ্যা নয়?
      ক) 0 খ) -1 গ) √4 ঘ) π
      উত্তর: ঘ) (π একটি গাণিতিক ধ্রুবক)

    21. যদি RED = 27, তাহলে BLUE = ?
      উত্তর: 40

    22. 9, 18, 36, ?, 144
      উত্তর: 72

    23. যে কাজ করতে 10 জন লোক 5 দিন লাগে, তা 5 জন লোক কত দিনে করবে?
      উত্তর: 10 দিন

    24. নিচের কোনটি ভৌত রাশি নয়?
      ক) সময় খ) ভর গ) তাপ ঘ) মধুরতা
      উত্তর: ঘ)

    25. মা তাঁর ছেলেকে ২৫০ টাকা দিলেন, যার ৪০% সে খরচ করল। অবশিষ্ট কত?
      উত্তর: 150 টাকা


    ✅ মানসিক দক্ষতা MCQ (৫১–৭৫)

    1. 1, 2, 4, 8, ?, 32
      উত্তর: 16

    2. যদি 6 + 3 = 27, তাহলে 7 + 2 = ?
      উত্তর: 27

    3. PEN : WRITE :: KNIFE : ?
      উত্তর: CUT

    4. যদি SUMMER = 98, তাহলে WINTER = ?
      উত্তর: 87

    5. 81 এর ঘনমূল কত?
      উত্তর: 4.33 (প্রায়)

    6. নিচের কোনটি যুক্তি নয়?
      ক) যদি-বুঝি
      খ) কারণ-ফল
      গ) যদি-তবে
      ঘ) যতক্ষণ-ততক্ষণ
      উত্তর: খ)

    7. ABC, BCD, CDE, ?
      উত্তর: DEF

    8. মা : কন্যা :: বাবা : ?
      উত্তর: পুত্র

    9. যিনি পড়েন তিনি?
      উত্তর: পাঠক

    10. 6, 11, 21, 41, ?
      উত্তর: 81

    11. একটি গাড়ি ৩ ঘণ্টায় ১৮০ কিমি গেলে গড় গতি কত?
      উত্তর: ৬০ কিমি/ঘণ্টা

    12. একজন ছাত্র ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৬০% পেয়েছে। কত নম্বর পেয়েছে?
      উত্তর: ৬০

    13. NORTH : SOUTH :: EAST : ?
      উত্তর: WEST

    14. DAY : NIGHT :: WHITE : ?
      উত্তর: BLACK

    15. TABLE : WOOD :: SHIRT : ?
      উত্তর: CLOTH

    16. যদি 2 × 3 = 13, তাহলে 3 × 4 = ?
      উত্তর: 25

    17. BLACK : WHITE :: HOT : ?
      উত্তর: COLD

    18. একটি বাক্যে ৭ টি শব্দ আছে, ১টি বাদে সবই একাধিকবার ব্যবহৃত, তাহলে কত ইউনিক শব্দ?
      উত্তর: ১

    19. 2, 4, 8, 16, 32, ?
      উত্তর: 64

    20. 1, 3, 7, 15, ?
      উত্তর: 31

    21. ABC : XYZ :: DEF : ?
      উত্তর: WUV

    22. 10 জনে 10 দিনে কাজ শেষ হলে 5 জনে কত দিনে হবে?
      উত্তর: 20

    23. SON : FATHER :: DAUGHTER : ?
      উত্তর: MOTHER

    24. 7 + 7 ÷ 7 + 7 × 7 – 7 = ?
      উত্তর: 50

    25. যদি 8 × 3 = 27, তাহলে 9 × 2 = ?
      উত্তর: 27


    ✅ মানসিক দক্ষতা MCQ (৭৬–১০০)

    1. HAT : HEAD :: SHOE : ?
      উত্তর: FOOT

    2. 2, 5, 10, 17, ?
      উত্তর: 26

    3. 20%, 25%, 30%, ?
      উত্তর: 35%

    4. 100 এর 20% কত?
      উত্তর: 20

    5. 2 এর ঘনফল কত?
      উত্তর: 8

    6. নিম্নের কোনটি জোড়া নয়?
      ক) লবণ-পানি
      খ) আলো-অন্ধকার
      গ) ধোঁয়া-আগুন
      ঘ) শীত-বসন্ত
      উত্তর: ঘ)

    7. 1, 4, 2, 5, 3, ?
      উত্তর: 6

    8. SON : BROTHER :: DAUGHTER : ?
      উত্তর: SISTER

    9. চোখ : দেখা :: কান : ?
      উত্তর: শোনা

    10. 9 এর বর্গ কত?
      উত্তর: 81

    11. ONE : TEN :: TWO : ?
      উত্তর: TWENTY

    12. GOLD : ORNAMENT :: WOOD : ?
      উত্তর: FURNITURE

    13. যদি 1 = 3, 2 = 5, 3 = 7, তাহলে 4 = ?
      উত্তর: 9

    14. গাছ : বাগান :: মাছ : ?
      উত্তর: জলাশয়

    15. 5, 10, 20, 40, ?
      উত্তর: 80

    16. ছাতা : বৃষ্টি :: চশমা : ?
      উত্তর: দৃষ্টি

    17. স্কুল : শিক্ষা :: হাসপাতাল : ?
      উত্তর: চিকিৎসা

    18. একজন ব্যক্তি তার আয়ের ৩০% ব্যয় করলে সঞ্চয় কত?
      উত্তর: ৭০%

    19. ঘড়ি : সময় :: ক্যালেন্ডার : ?
      উত্তর: তারিখ

    20. ফল : খাওয়া :: বই : ?
      উত্তর: পড়া

    21. ছাতা : বৃষ্টি :: সোয়েটার : ?
      উত্তর: শীত

    22. পাখি : ডানা :: মানুষ : ?
      উত্তর: হাত

    23. অন্ধ : দেখা :: বোবা : ?
      উত্তর: কথা বলা

    24. সমুদ্র : পানি :: পাহাড় : ?
      উত্তর: পাথর

    25. প্রশ্ন : উত্তর :: সমস্যা : ?
      উত্তর: সমাধান

PTE প্রস্তুতি: একটি পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা

 

 

PTE প্রস্তুতি: একটি পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা



ভূমিকা

বর্তমান বিশ্বে উচ্চশিক্ষা, অভিবাসন ও পেশাগত উন্নতির জন্য ইংরেজি ভাষা দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। IELTS ও TOEFL-এর পাশাপাশি Pearson Test of English (PTE) একটি জনপ্রিয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইংরেজি ভাষা দক্ষতা যাচাইকরণ পরীক্ষা। যারা দ্রুত ফলাফল ও কম ঝামেলা চায়, তাদের জন্য PTE একটি আকর্ষণীয় বিকল্প।

এই আর্টিকেলে PTE পরীক্ষার কাঠামো, প্রতিটি সেকশনের বিস্তারিত বিশ্লেষণ, প্রস্তুতির কৌশল, প্রয়োজনীয় রিসোর্স এবং সফলতার পরামর্শ নিয়ে আলোচনা করা হবে।


PTE কী ও কেন?

PTE হলো কম্পিউটার-ভিত্তিক একটি ইংরেজি ভাষা পরীক্ষার নাম, যা Pearson PLC Group পরিচালনা করে। এটি মূলত একাডেমিক উদ্দেশ্যে (PTE Academic) এবং সাধারণ অভিবাসনের উদ্দেশ্যে (PTE General বা UKVI) নেওয়া হয়।

PTE-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • সম্পূর্ণ কম্পিউটার-ভিত্তিক ও AI দিয়ে মূল্যায়িত

  • দ্রুত রেজাল্ট (সাধারণত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে)

  • নিরপেক্ষ মূল্যায়ন (মানবিক পক্ষপাতমুক্ত)

  • পরীক্ষার স্লট সহজলভ্য

  • বিশ্বের শতাধিক দেশে পরীক্ষা কেন্দ্র


PTE পরীক্ষার কাঠামো

PTE Academic চারটি দক্ষতা মূল্যায়ন করে:

  1. Speaking

  2. Writing

  3. Reading

  4. Listening

এই সেকশনগুলো ৩টি অংশে বিভক্ত:

Part 1: Speaking & Writing (৭৭–৯৩ মিনিট)

Speaking Tasks:

  • Read Aloud: একটি টেক্সট স্ক্রিনে দেওয়া হয়, সেটি উচ্চস্বরে পড়তে হয়।

  • Repeat Sentence: একটি বাক্য শোনার পর তা হুবহু পুনরাবৃত্তি করতে হয়।

  • Describe Image: একটি চিত্র, গ্রাফ বা টেবিল দেখে বর্ণনা করতে হয়।

  • Re-tell Lecture: একটি লেকচার শোনার পর নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করতে হয়।

  • Answer Short Question: সাধারণ জ্ঞানভিত্তিক ছোট প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে হয়।

Writing Tasks:

  • Summarize Written Text: একটি প্যাসেজ পড়ে ১ বাক্যে সারসংক্ষেপ লিখতে হয়।

  • Essay Writing: নির্দিষ্ট টপিকে ২০০–৩০০ শব্দের প্রবন্ধ লিখতে হয়।


Part 2: Reading (৩২–৪১ মিনিট)

Reading Tasks:

  • Multiple Choice, Single Answer

  • Multiple Choice, Multiple Answers

  • Re-order Paragraphs

  • Fill in the Blanks

  • Reading & Writing: Fill in the Blanks


Part 3: Listening (৪৫–৫৭ মিনিট)

Listening Tasks:

  • Summarize Spoken Text

  • Multiple Choice (single & multiple answers)

  • Fill in the Blanks

  • Highlight Correct Summary

  • Select Missing Word

  • Highlight Incorrect Words

  • Write from Dictation


প্রস্তুতির কৌশল ও কৌশলগত নির্দেশনা

১. Speaking প্রস্তুতি

  • প্রতিদিন Read Aloud অনুশীলন করুন। উচ্চারণ স্পষ্ট ও প্রাকৃতিক হতে হবে।

  • Repeat Sentence-এ স্মরণশক্তি উন্নয়নের জন্য shadowing technique ব্যবহার করুন।

  • Describe Image-এ একটি standard structure অনুসরণ করুন (introduction + main features + conclusion)।

  • Re-tell Lecture-এ key points ধরে রাখার জন্য note-taking অভ্যাস গড়ে তুলুন।

  • Fluency ও pronunciation উন্নত করতে ইংরেজি নিউজ বা TED Talks নিয়মিত শুনুন।

২. Writing প্রস্তুতি

  • Essay লেখার সময় structure অনুসরণ করুন: Introduction → Body Paragraphs → Conclusion।

  • Summarize Written Text-এ complex sentence structure ব্যবহার করুন, কিন্তু grammar ভুল এড়িয়ে চলুন।

  • PTE-specific essay templates অনুশীলন করুন।

৩. Reading প্রস্তুতি

  • Vocabulary ও collocations শিখুন। এটি Fill in the Blanks ও MCQ-তে সাহায্য করবে।

  • Re-order Paragraph অনুশীলনে cohesion ও linking words বোঝার চেষ্টা করুন।

  • প্রতিদিন ১-২টি প্যাসেজ বিশ্লেষণ করুন।

৪. Listening প্রস্তুতি

  • Listening skill বাড়াতে authentic material শুনুন (BBC, NPR, Podcasts)।

  • Write from Dictation অনুশীলনে dictation tools বা PTE software ব্যবহার করুন।

  • Highlight Incorrect Words-এ spelling ও listening-এ মনোযোগ বাড়াতে হবে।


সময় ব্যবস্থাপনা কৌশল

PTE পরীক্ষায় সময় ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু কৌশল:

  • Re-tell Lecture-এ ৪০ সেকেন্ডে key points cover করতে শিখুন।

  • Essay লেখায় brainstorming-এ বেশি সময় না দিয়ে দ্রুত draft শুরু করুন।

  • Listening অংশে note-taking skill উন্নত করুন, যেন audio শেষ হবার পর দ্রুত উত্তর দিতে পারেন।


প্রয়োজনীয় রিসোর্স ও সফটওয়্যার

অনলাইন রিসোর্স:

  • Pearson Official Website

  • E2Language (YouTube Channel)

  • PTE Tutorials

  • ApeUni (Mock Test App)

মক টেস্ট ও অ্যাপ:

  • PTE Practice App (by Pearson)

  • PTE Tools

  • MYPTE

বইপত্র:

  • The Official Guide to PTE Academic

  • Barron's PTE Practice Tests

  • PTE Academic Testbuilder


নিয়মিত অভ্যাসের কৌশল

  • প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ধরে একটি সেকশনের উপর কাজ করুন।

  • নিজের performance রেকর্ড করুন ও মূল্যায়ন করুন।

  • বন্ধুদের সাথে speaking ও dictation practice করুন।

  • প্রতিসপ্তাহে একটি সম্পূর্ণ mock test দিন।


সফলতার জন্য টিপস

  • যত বেশি অনুশীলন করবেন, তত আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

  • AI সফটওয়্যার ব্যবহার করে নিজেকে নিরীক্ষণ করুন।

  • Real exam environment অনুকরণে প্রস্তুতি নিন।

  • Grammar ও spelling ভুল সর্বোচ্চ পরিহার করুন।

  • প্রয়োজন হলে একজন PTE কোচের সহায়তা নিন।


সাধারণ ভুল ও এড়ানোর উপায়

ভুলএড়ানোর কৌশল
Pronunciation                                      সমস্যাপ্রতিদিন রেকর্ড করে শুনুন ও সংশোধন করুন
Grammar ভুলইংরেজি Grammar book (যেমন Raymond Murphy) পড়ুন
সময়ের অভাবMock test দিয়ে সময় ব্যবস্থাপনার অনুশীলন করুন
Vocabulary দুর্বলতাপ্রতিদিন ১০টি নতুন শব্দ শিখুন ও বাক্যে ব্যবহার করুন

সফল প্রার্থীদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা

  • “আমি প্রতিদিন ২ ঘণ্টা করে প্রস্তুতি নিতাম এবং প্রতিটি ভুলের লিস্ট তৈরি করতাম।” — সাদিয়া ইসলাম, স্কোর ৮৩

  • “ApeUni অ্যাপটা আমার জন্য game changer ছিল, বিশেষ করে Write from Dictation-এর জন্য।” — ফারহান হাসান, স্কোর ৮৭


উপসংহার

PTE একটি চ্যালেঞ্জিং পরীক্ষা হলেও সঠিক কৌশল ও নিয়মিত অনুশীলনে এটি সহজে উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব। সময়ানুবর্তিতা, ধৈর্য এবং কার্যকরী প্রস্তুতির মাধ্যমে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত স্কোর অর্জন করতে পারবেন।

স্মরণ রাখবেন, "Practice is the key to success in PTE." ধাপে ধাপে নিজেকে উন্নত করুন, ভুল থেকে শিখুন এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যান।

রিলস আপলোড করার সময় ১৫টি কার্যকর টিপস

 

 

রিলস আপলোড করার সময় ১৫টি কার্যকর টিপস:



১. ভিডিওর দৈর্ঘ্য ছোট রাখুন (15-30 সেকেন্ড)
সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় ভিডিও বেশি দেখা হয়। 30 সেকেন্ডের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করুন।
২. ভিডিওর প্রথম ৩ সেকেন্ডে আকর্ষণ তৈরি করুন
শুরুতেই কিছু eye-catching দিলে দর্শক স্ক্রল না করে ভিডিওটি দেখবে।
৩. হাই-কোয়ালিটি ভিডিও ব্যবহার করুন
ঝাপসা বা কম আলোতে ধারণ করা ভিডিও এড়াতে চেষ্টা করুন।
HD ভিডিও বেশি প্রাধান্য পায়।
৪. ভরসাযোগ্য থাম্বনেইল (Thumbnail) ব্যবহার করুন
কভার ফটো এমন দিন যা দেখে মানুষ ক্লিক করতে আগ্রহী হয়।
৫. সঠিক এবং ট্রেন্ডিং মিউজিক বেছে নিন
Instagram বা Facebook-এর লাইব্রেরিতে ট্রেন্ডিং গান ব্যবহার করলে Reels বেশি Reach পায়।
৬. ভালো ক্যাপশন দিন
সংক্ষিপ্ত কিন্তু অর্থবহ ক্যাপশন দিন, যাতে বিষয়টি স্পষ্ট বোঝা যায়।
৭. #Hashtag ব্যবহার করুন
5–10টি জনপ্রিয় এবং রিলেটেড Hashtag ব্যবহার করুন (যেমনঃ #funnybengali #bengalireels #reelitfeelit ইত্যাদি)।
৮. Consistency বজায় রাখুন
নিয়মিত Reels পোস্ট করলে Algorithm আপনাকে প্রাধান্য দেয়।
৯. সঠিক সময় বেছে নিন
বেশি Engagement পেতে দুপুর ১২টা–২টা অথবা সন্ধ্যা ৭টা–৯টার মধ্যে Reels পোস্ট করুন।
১০. ভাষা ও ভঙ্গিমা সহজ ও বন্ধুসুলভ রাখুন
দর্শক যেন সহজে বুঝতে পারে এবং সংযোগ স্থাপন করতে পারে।
১১. লোকেশন ট্যাগ করুন (যদি প্রাসঙ্গিক হয়)
লোকেশন যুক্ত করলে লোকাল অডিয়েন্স সহজে পেতে পারেন।
১২. Audience-কে Engagement করতে বলুন
যেমন: “কমেন্টে লিখুন আপনার মতামত” বা “ফলো দিতে ভুলবেন না”।
১৩. ট্রেন্ড অনুসরণ করুন
বর্তমান সময়ের ট্রেন্ডিং টপিক বা চ্যালেঞ্জ ধরলে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
১৪. নিজস্ব স্টাইল তৈরি করুন
অন্যদের মতো কপি না করে নিজের একটা ইউনিক স্টাইল থাকলে ফলোয়ার বাড়ে।
১৫. Insights দেখুন ও বুঝে পরের ভিডিও পরিকল্পনা করুন
কোন Reels ভালো চলেছে, কোনটা নয়—তা দেখে ভবিষ্যতের ভিডিও উন্নত করুন।

কাঠবাদামের উপকারিতা: পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যরক্ষায়

 

 অমূল্য উপহার কাঠবাদাম (Almond)। এটি শুধু একটি স্বাস্থ্যকর বাদামই নয়, বরং একটি পুষ্টিগুণে ভরপুর সুপারফুড, যা প্রাচীনকাল থেকে নানা ধরনের রোগ প্রতিরোধ ও শরীর সুস্থ রাখতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কাঠবাদামে রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ এবং প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড, যা দেহ ও মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত উপকারী। বর্তমান যুগে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষজনের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কাঠবাদাম একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে।

এই প্রবন্ধে আমরা কাঠবাদামের পুষ্টিগুণ, বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা, নিয়মিত ব্যবহারের উপায় এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণালব্ধ তথ্য বিশ্লেষণ করবো।



১.কাঠবাদামের পুষ্টিগুণ বিশ্লেষণ

প্রতিদিন মাত্র ১০-১৫টি কাঠবাদাম খেলে আমরা যেসব উপাদান পাই তা নিচে তুলে ধরা হলো:

পুষ্টি উপাদান পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম কাঠবাদামে)

ক্যালোরি ৫৭৬ কিলোক্যালোরি

প্রোটিন ২১.১৫ গ্রাম

ফ্যাট (সুস্থ ফ্যাট) ৪৯.৯২ গ্রাম

কার্বোহাইড্রেট ২১.৫৫ গ্রাম

ফাইবার ১২.২ গ্রাম

ক্যালসিয়াম ২৬৯ মি.গ্রা

ম্যাগনেশিয়াম ২৭০ মি.গ্রা

আয়রন ৩.৭১ মি.গ্রা

ভিটামিন E ২৫.৬৩ মি.গ্রা

পটাশিয়াম ৭৩৩ মি.গ্রা

কাঠবাদামে কোনো কোলেস্টেরল নেই, বরং এটি রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সহায়ক।

২. কাঠবাদামের প্রধান উপকারিতা

২.১. হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়ক

কাঠবাদামে রয়েছে মনো-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট যা হৃদপিণ্ডের জন্য ভালো।

এটি রক্তে এলডিএল (LDL - খারাপ কোলেস্টেরল) কমিয়ে এইচডিএল (HDL - ভালো কোলেস্টেরল) বাড়াতে সাহায্য করে।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে ভিটামিন E হৃদযন্ত্রকে ফ্রি র‍্যাডিক্যালস থেকে রক্ষা করে।

২.২. মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়

কাঠবাদামে রয়েছে রিবোফ্ল্যাভিন ও এল-কার্নিটিন যা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে।

এটি শিশুদের ও বয়স্কদের মানসিক উৎকর্ষ বজায় রাখতে সহায়ক।

প্রতিদিন সকালে ভেজানো কাঠবাদাম খেলে মনোযোগ ও স্মরণশক্তি বাড়ে।

২.৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা

উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম কারণ সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের অনুপাত।

কাঠবাদামে রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম রক্তনালীর প্রসারণ ঘটিয়ে উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস করে।

২.৪. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

কাঠবাদামে রয়েছে কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI)।

এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় ও রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

নিয়মিত কাঠবাদাম খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।

২.৫. হাড় ও দাঁতের সুস্থতায়

কাঠবাদামে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন D যা হাড় ও দাঁতের গঠনে সহায়ক।

অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে কার্যকরী।

৩. রূপচর্চায় কাঠবাদামের ব্যবহার

৩.১. ত্বকের জন্য উপকারিতা

ভিটামিন E ত্বকের বয়সজনিত বলিরেখা হ্রাস করে।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে ত্বককে উজ্জ্বল ও কোমল রাখে।

কাঠবাদাম তেল ত্বকে লাগালে শুষ্কতা দূর হয়।

৩.২. চুলের জন্য উপকারিতা

কাঠবাদামের তেল চুলের গোড়া মজবুত করে।

খুশকি দূর করে ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

নারিকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া যায়।

৪. হজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণে কাঠবাদাম

৪.১. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে

কাঠবাদামে রয়েছে ফাইবার যা অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সহায়ক।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

৪.২. ওজন কমাতে সহায়ক

উচ্চ ফাইবার ও প্রোটিনযুক্ত হওয়ায় দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে।

অতিরিক্ত খাওয়া কমায় ও হেলদি স্ন্যাকস হিসেবে কাজ করে।

৫. গর্ভাবস্থায় কাঠবাদামের ভূমিকা

কাঠবাদামে থাকা ফলিক অ্যাসিড গর্ভকালীন শিশুর নিউরাল টিউব ডিফেক্ট প্রতিরোধ করে।

গর্ভবতী মায়ের শক্তি বাড়ায় ও হরমোন ব্যালেন্স ঠিক রাখে।

গর্ভাবস্থায় কাঠবাদাম খাওয়া শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক।

৬. কাঠবাদাম খাওয়ার উপায় ও পরিমাণ

৬.১. কীভাবে খাবেন?

ভেজানো কাঠবাদাম খাওয়া সবচেয়ে উপকারী। ভিজিয়ে খেলে এনজাইম সক্রিয় হয় এবং হজমশক্তি বাড়ে।

কাঠবাদাম গুঁড়ো করে দুধে মিশিয়ে খাওয়া যায়।

স্মুদি বা সালাদে কাঠবাদাম ব্যবহার করা যায়।

কাঠবাদাম তেল রান্নায় বা ত্বকে চর্চায় ব্যবহার করা হয়।

৬.২. প্রতিদিন কতটা খাওয়া নিরাপদ?

১০-১৫টি কাঠবাদাম প্রতিদিন খাওয়া নিরাপদ ও উপকারী।

অতিরিক্ত খাওয়া হলে ওজন বাড়া বা হজমে সমস্যা হতে পারে।



৭. কাঠবাদামের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Side Effects)

অতিরিক্ত খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে।

গ্যাস, পেটফাঁপা বা ডায়রিয়ার সমস্যা হতে পারে।

যারা বাদাম অ্যালার্জিতে ভোগেন, তাদের জন্য কাঠবাদাম বিপজ্জনক হতে পারে।

Oxalates নামক উপাদান বেশি থাকায় কিডনির পাথরের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

সব বাদামই ভালো, তবে কাঠবাদাম তার ব্যালান্সড পুষ্টিগুণের জন্য সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।

৮. আধুনিক গবেষণায় কাঠবাদাম

Harvard University গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কাঠবাদাম খেলে হৃদরোগজনিত মৃত্যুর হার ২৫% পর্যন্ত কমে।

Journal of Nutrition (2019) অনুসারে, ৮ সপ্তাহ কাঠবাদাম খাওয়ায় শরীরের ফ্যাট কমে এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে।

Indian Journal of Clinical Biochemistry অনুযায়ী, কাঠবাদাম খাওয়ার ফলে স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়।

০৯. উপসংহার

কাঠবাদাম শুধু একটি সাধারণ বাদাম নয়, বরং এটি একটি সম্পূর্ণ পুষ্টির উৎস। এটি হৃদয়, মস্তিষ্ক, হাড়, ত্বক, চুল, হজম — সর্বত্রই উপকারী ভূমিকা রাখে। তবে মনে রাখতে হবে, যেকোনো ভালো জিনিসের অতিরিক্ত ব্যবহারও ক্ষতিকর হতে পারে। তাই কাঠবাদাম নিয়মিত, পরিমিত ও সঠিক পদ্ধতিতে খেলে এটি হতে পারে আপনার জীবনের স্বাস্থ্যরক্ষায় একটি মহাউপাদান।

লেবুর উপকারিতা: প্রকৃতির এক অনন্য উপহার

 

লেবু এমন একটি ফল যা শুধু আমাদের খাদ্যতালিকায় স্বাদ বাড়ায় না, বরং স্বাস্থ্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই ছোট হলুদ ফলটি ভিটামিন সি-তে ভরপুর, এবং এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়ামসহ নানা খনিজ পদার্থ। প্রাচীনকাল থেকেই লেবু নানা ধরনের অসুস্থতা প্রতিরোধে ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে। চলুন জেনে নিই লেবুর কিছু উপকারিতা। 


১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে


লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত লেবু পানির সেবনে ঠান্ডা, জ্বর, সর্দি, গলা ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এটি শরীরের শ্বেত রক্তকণিকা সক্রিয় করে, যা জীবাণু প্রতিরোধে সহায়তা করে।

২. হজমে সহায়তা করে


লেবু হজমে অত্যন্ত কার্যকর। এতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড পাকস্থলীর পাচক রস নিঃসরণে সাহায্য করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে গতিশীল করে। গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে সকালে খেলে পেট পরিষ্কার থাকে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে।


৩. ওজন কমাতে সহায়তা করে


যারা ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য লেবু হতে পারে একটি সহজ ও প্রাকৃতিক সমাধান। লেবু শরীরের মেটাবলিজম বাড়ায় এবং ফ্যাট বার্নে সহায়তা করে। সকালে খালি পেটে লেবু ও গরম পানি খেলে অতিরিক্ত চর্বি কমতে সাহায্য করে।



৪. ত্বক ও চুলের যত্নে


লেবুতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি থাকায় এটি ত্বকের জন্য উপকারী। এটি ত্বক উজ্জ্বল করে, বলিরেখা ও দাগ দূর করে। ব্রণ দূর করতেও লেবু কার্যকর। পাশাপাশি চুলে লেবুর রস ব্যবহার করলে খুশকি দূর হয় এবং চুলের গোড়া মজবুত হয়।




৫. লিভার পরিষ্কার রাখে


লেবু লিভার ডিটক্সিফিকেশনে সহায়তা করে। এটি দেহ থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ দূর করে এবং লিভারকে সুস্থ রাখে। নিয়মিত লেবু পানি খেলে লিভারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।




৬. কিডনির পাথর প্রতিরোধ


লেবুতে থাকা সাইট্রেট উপাদান কিডনির পাথর গঠনে বাধা দেয়। এটি মূত্রের অ্যাসিড স্তর কমায় এবং পাথর গঠনের সম্ভাবনা কমায়। তাই নিয়মিত লেবু পানি খাওয়া কিডনি সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।




৭. হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষা


লেবু রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে থাকা পটাশিয়াম হৃৎপিণ্ডকে সচল রাখে এবং উচ্চ রক্তচাপ কমায়। এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।



৮. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ


লেবুতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অনেক কম, যা রক্তে শর্করার পরিমাণ দ্রুত বাড়তে দেয় না। এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। এছাড়া লেবুতে থাকা ফাইবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।




৯. মুখ ও দাঁতের যত্নে


লেবুতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় এটি মুখের দুর্গন্ধ দূর করে এবং দাঁতের জীবাণু নাশ করে। তবে লেবুর অম্লধর্মের কারণে সরাসরি দাঁতের ওপর ব্যবহার না করাই ভালো। পানি মিশিয়ে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।




১০. মানসিক প্রশান্তি আনে


লেবুর ঘ্রাণ মস্তিষ্কে শান্তি এনে দেয় এবং স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করে। লেবু তেল বা লেবু গন্ধযুক্ত কিছু ব্যবহার করলে তা স্নায়ু শান্ত করে এবং মনকে ফুরফুরে করে তোলে। এটি ঘুমের মান উন্নত করে।



১১. সংক্রমণ প্রতিরোধ


লেবুর অ্যান্টিসেপটিক গুণ রয়েছে, যা জীবাণু প্রতিরোধ করে এবং সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। ঘা বা কাটা জায়গায় লেবুর রস ব্যবহার করলে জীবাণু নষ্ট হয় ও ঘা দ্রুত শুকায়।



১২. অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ


লেবুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরে আয়রনের শোষণ বাড়াতে সাহায্য করে। যারা অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন, তাদের জন্য লেবু খাওয়া বা লেবু মিশ্রিত খাবার গ্রহণ করা উপকারী।



১৩. শরীরকে হাইড্রেট রাখে


লেবু পানি শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ করে এবং গরমে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। এটি ক্লান্তি দূর করে ও দেহকে সতেজ রাখে। গরমের দিনে লেবু শরবত পান করা এক চমৎকার প্রাকৃতিক পানীয়।



১৪. ক্ষুধা কমায়


লেবুতে থাকা পেকটিন নামক উপাদান ক্ষুধা দমন করে। যারা বারবার খেতে চান বা বেশি খেয়ে ফেলেন, তারা খাবারের আগে লেবু পানি খেলে ক্ষুধা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকে।



১৫. গলা ব্যথা ও কাশি উপশম


গলা ব্যথা বা কাশির জন্য লেবু ও মধু মিশিয়ে গরম পানি খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। এটি গলার ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ও গলার আরাম দেয়।



উপসংহার


লেবু একটি সহজলভ্য ফল হলেও এর উপকারিতা অসীম। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত করলে স্বাস্থ্যগত দিক থেকে অনেক লাভবান হওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত লেবু সেবনে গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে, তাই পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করাই শ্রেয়। সবশেষে বলা যায়, লেবু প্রকৃতির এক অনন্য উপহার যা আমাদের শরীর ও মনের সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।



শেষ চিঠি

 

গল্প - শেষ চিঠি

তারেকুর রহমান 


আজ মৌটুসী ডিভোর্স দিতে যাবে ফাহিমকে। মনটা বেশ বিষন্ন হয়ে আছে। জানালার পাশে চুল এলিয়েদিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মৌটুসী। আকাশের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলছে। জীবনে কোনকিছুই পেলনা।নিজের অমতে বিয়ে করতে হলো ফাহিমকে। যাকে ভালবেসেছিল কয়দিন পর তাকেই বিয়ে করতেযাচ্ছে। মনের মধ্যে আনন্দ থাকার কথা। কিন্তু মনে একফোঁটা শান্তি নেই। ফাহিমেরওতো কোনদোষ নেই। বাবা মা জোর করেই ফাহিমের সাথে মৌটুসীর বিয়ে দেয়। কেন বাবা এ কাজ করলো।ঠিকইতো এখন আগের প্রেমিককে বিয়ে করতে হবে মৌটুসীর। অবশ্য এটা ফাহিমের উদারতার কারনেই সম্ভব হচ্ছে। কোন কিছুই ভাল লাগছেনা মৌটুসীর।আচ্ছা,আমি ফাহিমকে ডিভোর্স দিলে ও কিভাবে থাকবে? ও কি আবার বিয়ে করবে? বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে উঠলো। এ কি ফাহিমের প্রতি মৌটুসীর ভালবাসা? না না এ হতে পারেনা। মৌটুসী মনে মনে ভাবতে লাগলো ফাহিমের প্রতি তার ভালবাসা থাকতে পারেনা। ফাহিমের শেষ কথাগুলো এখনো কানে বাজছে। ফাহিম বলেছিল,তাকে যেন এখন ডিভোর্স না দেয়। বিয়ের আগের সপ্তাহে ডিভোর্স দিতে। আর একটা অনুরোধ করেছিল,বিয়ের সময় দেয়া হিরার আংটিটা যেন ফিরিয়ে না দেয়। ওটা মৌটুসীর কাছেই যেন থাকে।

মৌটুসী ফাহিমের দুটি প্রস্তাব মেনে নেয়। যে মানুষটা নিজের স্ত্রীকে ভালথাকার জন্য প্রেমিকের কাছে চলে যেতে সাহায্য করে তার যেকোন কথা শুনতে প্রস্তুত মৌটুসী। বাতাসে দোল খাচ্ছে মৌটুসীর চুলগুলো। বিষণè মন শূন্যে তাকিয়েই আছে। সাইরেনের আওয়াজ কানে আসলো তার। এই অসময়ে এম্বুলেন্স!  কোন আত্মীয় স্বজন তো অসুস্থ ছিলনা। তাহলে কেন এম্বুলেন্স এলো? কোন কিছুই মাথায় ঢুকছেনা মৌটুসীর। এক অজানা ভয় তাকে গ্রাস করে তোলে। এম্বুলেন্স ঠিক বাসার নিচে এসে থামলো। সবাই কৌত‚হল নিয়ে দেখছে। মৌটুসীর ও ইচ্ছা হলো দেখার। লাশের মুখ থেকে সাদা কাপড় সরিয়ে দেয়া হলো। মুখ দেখেই বড় একটা ঝাঁকুনি খেল মৌটুসী। এ যে ফাহিমের লাশ।

বাকরুদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সে। দু চারজন কান্নাকাটি ও করছে। এক বুড়ো এসে বললো, ফাহিম পোলাটার মত মানুষ হয় না। এত কম বয়সেই ও চলে গেল?লাশের পাশে একটা চিঠি। ফাহিম মারা যাওয়ার আগেই চিঠিটা লিখে গেছে। চিঠি আস্তে আস্তে খুলছে মৌটুসী। তার হাত কাঁপছে। শরীরের সব রক্ত মনে হয় ঠান্ডা হয়ে গেছে। এক অন্যরকম শিহরণ বয়ে যাচ্ছে। চিঠি মনে মনে পড়তে লাগলো মোটুসী,

প্রিয়তমা মৌটুসী,

জানিনা কেমন আছো? চিঠিটা পড়ার পর হয়তও ক্ষণিকের জন্য মন খারাপ হয়ে যাবে। আজ তোমাকে কিছু কথা লিখতে বসেছি। আমার জীবনের কথা। যা তুমি জানোনা। কিংবা কখনো বুঝতেও পারোনি। সেই ছোট বেলায় মা মরে যায়। বাবা নতুন বিয়ে করে। সৎ মায়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠি। বাবা বুঝতে পারতো আমার কষ্ট গুলো। এই শহরে নিজেদের বাড়ি থাকা সত্তে¡ও আমি বড় হয়েছি হোস্টেলে। শুধু সৎ মায়ের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য বাবা আমাকে হোস্টেলে রেখে যায়।রাত হলে মাকে খুব মনে পড়তো। নীরবে কাঁদতাম। বাবা মাঝেমাঝে দেখতে আসতো। তাকে ছাড়তে ইচ্ছে হতোনা। কিন্তু সে আমাকে রেখে চলে যেত। যাওয়ার সময় বাবাও কিছু অশ্রু বিসর্জন দিয়েযেত। ভালবাসাহীন এক পৃথিবীতে আমি বড় হয়েছি। না পেয়েছি মায়ের আদর। বাবা থেকেও তার আদর থেকে বঞ্চিত হয়েছি। আমার পৃথিবীতে আমি বড় একাই ছিলাম। কাউকে নিজের কষ্টের কথাগুলো বলতেও পারতাম না। তোমাকে বিয়ে করার পর ভাবলাম এই বুঝি আমার অবস্থার পরিবর্তন হলো। চাঁদের মত একটা বউ পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। তুমি যখন ঘুমিয়ে   পড়তে আমি তোমার চাঁদ মুখখানির দিকে তাকিয়ে থাকতাম। জোসনা রাতের উজ্জ্বল চাঁদের মত মুখখানি দেখতে দেখতে রাত কাটিয়ে দিতাম। তোমার হাসি আমার সব দু:খ ভুলিয়ে দিত। সারাদিন ক্লান্ত হয়ে যখন বাসায় ফিরতাম তখন তোমার মুখখানি দেখলে সব কষ্ট ভুলে যেতাম। জানো মৌটুসী,তুমি যখন লাল শাড়ী পরে খোপায় ফুল গেঁথে বসে থাকতে মনে হতো তুমি কোন ফুলধানীতে সাজানো ফুল। তোমাকে পেয়ে নতুন করে জীবনটাকে সাজাতে চেয়েছি। কিন্তু যখন জেনেছি তোমার মনে অন্য পুরুষ আছে। দীর্ঘদিন প্রেম করার পর বিয়ে না করার যন্ত্রনা। সেই প্রিয় মানুষের কাছে ছুটে যাওয়ার যে আকুতি। তা আমি উপলদ্ধি করেছি। তোমার মনের এক কোনেও আমি নেই। তারপর ও আমি চেয়েছি তুমি ভাল থেকো। আমার কপাল ভালনা। সারাজীবনিতো ভালবাসা হীন ছিলাম। বাকি জীবন ও সেভাবে কেটে দেয়ার ইচ্ছা ছিল। তোমাকে তোমার প্রিয় মানুষের কাছে যাওয়ার জন্য আমিও সায় দিলাম। কিন্তুমৌটুসী জানো,তোমাকে ছাড়া আমার এক মুহুর্ত ও ভাল লাগেনা। তোমাকে ছাড়া এই পৃথিবী কল্পনাও করতে পারছিনা। তুমি চলে যাওয়ার পরে একটা রাত ও ঘুমাতে পারিনি। চোখের সামনে ভাসছে তোমার প্রিয় মুখখানি। কিভাবে তোমাকে ছেড়ে থাকবো বলো? আজ বা কাল তুমি আমাকে ডিভোর্স দিবে। আমিই তোমাকে একটা অনুরোধ করেছিলাম যেন আমাকে তোমার বিয়ের এক সপ্তাহ আগে ডিভোর্স দাও। তুমি আমার সে কথা রেখেছিলে। আমি তোমাকে ছাড়া বাচতে পারবোনা। তোমাকে ছাড়া আমার পৃথিবী কল্পনাও করতে পারিনা। তাই আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি জানি আত্মহত্যা মহাপাপ। তারপর ও আমার আর কোন পথ ছিলনা। একটু পরেই আমি মরে যাবো। আমি মরে গেলে হয়তও এক মুহুর্তের জন্য ও তোমার বুক কাঁপবে না। কারন তোমার মনে কখনোই আমি ছিলাম না। তবে মরে যাওয়ার আগে একটাই সান্ত্বনা আমার,আমি তোমার স্বামী হিসেবে মরতে পেরেছি।  চিঠি যখন তোমার হাতে পৌঁছাবে তখনও আমি তোমার স্বামী। মৌটুসী তোমার কাছে আমার একটা শেষ প্রশ্ন, আচ্ছা কখনো কি এক মুহুর্তের জন্য ও আমার ভালবাসা তুমি বুঝতে পারোনি? তুমি কি বুঝোনি আমি তোমাকে কত ভালবেসেছি? প্রশ্ন তোমার জন্য রেখে গেলাম। আমাকে ক্ষমা করে দিও।

ইতি

তোমার স্বামী ফাহিম



মৌটুসী চিঠিখানা পড়ে চিৎকার করে কাঁদতে লাগলো। তার কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে গেল।ফাহিম মরে যাওয়ার পর মৌটুসীর জীবনেও অনেক পরিবর্তন এলো। আগের মত সেই হাসি এখন আর নেই । মৌটুসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে আর বিয়ে করবেনা। মৌটুসীর সিদ্ধান্তে তার সেই প্রেমিক ও বাবা মা অবাক হয়ে যায়। এ কি বলছে মৌটুসী? সে কি পাগল হয়ে গেছে? মৌটুসীর সোজা উত্তর,যে আমাকে এত ভালবেসেছে। তার ভালবাসার প্রতিদান আমি দিতে পারিনি। তার তো কোন দোষ ছিলনা। আমার কারনেই তাকে মরতে হলো। আমিও ওর স্মৃতি নিয়েই মরতে চাই। অন্য কারো জীবনের সাথে আর  জড়াতে চাইনা। প্রয়াত ফাহিমের স্ত্রী হিসেবেই সারা জীবন কাটিয়ে দেব।


জড়তা আবার কি?

 

জড়তা আবার কি?

তারেকুর রহমান 



জিতু ও তার বাবা মিলে বাসে করে এক আত্মীয়ের বাসায় যাচ্ছে। ঢাকায় বাসে সবসময় মানুষ গিজগিজ করে। অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ার কারনে বাসের ভেতরে ধাক্কাধাক্কি লেগেই থাকে। হঠাত বাস থামার সাথে সাথে পেছনের মানুষ গুলোর উপর পড়ে গেলো। একজন আরেকজনের উপর পড়ার কারনে বাসের ভেতরেই শোরগোল শুরু হয়ে গেলো। এতা যে ইচ্ছে করেই কেউ পড়েনি তা কাউকেই বুঝানো যাচ্ছেনা। জিতু ও তার বাবা বিশয়টা ভালোকরে দেখছে। হঠাত আবার বাস চলতে শুরুকরলো। এবার দাঁড়িয়ে থাকা সামনের যাত্রীগুলো পিছনের যাত্রী গুলোর উপর পড়ে গেলো। আবার শোরগল শুরু হয়ে গেলো। অনেকেতো হাতাহাতি শুরু করে দিলো। এই ঘটনা দেখে জিতু খুব বিরক্ত হয়ে গেলো। জিতু দাঁড়িয়ে বললো ,

-আপনারা সবাই একটু থামেন।

একজন দাঁড়িয়ে বললো,

-এই ছেলে তুমি আবার কি বলতে চাও।

জিতু একটু ঘাবড়ে যায়। কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললো,

-আমি তেমন কিছু বলবোনা। শুধু একটা কথা বলতে চাই আপনারা অযথা যেটা নিয়ে ঝগড়া করছেন তা স¤পর্কে আপনারা কিছু জানেন?

একজন টিটকারি করে বললো,

-না আমরা কিছুই জানিনা সব তুমিই জানো। তো তুমি কি জানো বলো দেখি।

জিতু বললো ,

-শোনেন আপনারা, এই যে অযথা ঝগড়া করছেন এর পেছনে একটা সায়েন্স আছে। কিন্তু কি সে সায়েন্স সেই প্রশ্ন আপনার করতে পারেন। সায়েন্সটা হলো জড়তা। জড়তা শব্দতার সাথে আপনারা কেউ কেউ পরিচিত আবার কেউ কেউ পরিচিত না। বস্তু যে অবস্থায় আছে চিরকাল সেই অবস্থায় থাকার প্রবণতাকেই জড়তা বলে। জড়তা আবার দুই প্রকার এক হলো স্থিতি জড়তা আর দুই হলো গতি জড়তা। বাস হঠাত থেমে যাওয়ার কারনে আপনারা একজন আরেকজনের উপর পড়েছেন এটা হলো গতি জড়তা। গতিশীল বস্তু তার নিজের গতীতে চলতে চাওয়ার প্রবণতাকে গতি  জড়তা বলে। বাসটি গতিশীল ছিলো হঠাত যখন থেমে যায় তখন গতি জড়তার কারনে একজন আরেকজনের উপর গিয়ে পড়েছেন। আবার যখন বাস চলতে শুরু করলো তখন সামনের সবাই গিয়ে পেছনেরদিকে গিয়ে পড়েছেন। এটা স্থিতি জড়তার কারনেই হয়েছে। স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকার প্রবণতাকে স্থিতি জড়তা বলে।

জিতুর কথা শোনে একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকাতে থাকল।

একজন বললো,

-আসলে আমরা এভাবে চিন্তা করিনি। আমরা ভাবছি ইচ্ছে করেই কেউ ধাক্কা দিচ্ছিলো। তোমাকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের ভুল সংশোধন করে দেয়ার জন্য।

লেবুর উপকারী দিক

 




লেবু ভিটামিন ‘সি’-তে ভরপুর। লেবুর পুষ্টিমান অনেকেরই জানা। তবে লেবু সব গুণের কথা কজন জানে? লেবু চিপে কত-কী যে করা যায়! আর বিভিন্ন কাজে লেবুর ঘষা যে কত উপকারী, তা জেনে নিন এবার।

১. লেবু দাগ ওঠাতে ওস্তাদ। চায়ের দাগ বা কঠিন কোনো দাগ ওঠানোর কাজে লেবু ব্যবহার করা যায়। কাপড়ে দাগ লাগলে লেবু অর্ধেক কেটে দাগের ওপর রস দিয়ে ভিজিয়ে সারা রাত রেখে দিন। পরে স্বাভাবিকভাবে ধুয়ে ফেলুন। দাগ উঠে যাবে।

২. লেবু প্রাকৃতিক উপায়ে সংক্রামক প্রতিরোধক। ফল বা সবজি খাওয়ার আগে এক টেবিল চামচ লেবুর রস দিয়ে কচলে তা ধুয়ে নিতে পারেন। এতে ফল বা সবজির ওপর যদি কোনো কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়ে থাকে, তা দূর হবে।

৩. কাটিং বোর্ড পরিষ্কারের জন্য লেবুর রস ব্যবহার করুন। জীবাণু বা অন্যান্য ময়লা পরিষ্কার করতে কাটিং বোর্ডে অর্ধেক লেবু রগড়িয়ে নিতে পারেন। এতে বোর্ড ঝকঝকে দেখাবে।

৪. ফ্রিজে যাঁরা লেটুসপাতা অনেক দিন ধরে রাখেন, তাঁদের কাজে লাগতে পারে লেবু। নেতিয়ে পড়া লেটুসপাতা ব্যবহারের আগে লেবু-টেস্ট করাতে পারেন। এক বাটি ঠান্ডা পানির মধ্যে অর্ধেক লেবু চিপে এক ঘণ্টা ফ্রিজে রাখতে পারেন। এরপর বের করে পাতা একটু শুকিয়ে নিন।

৫. ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে লেবু। কয়েক টুকরা কাটা লেবু সব সময় ফ্রিজে রাখতে পারেন। এতে ফ্রিজে গন্ধ হবে না।

৬. বাড়িতে বা ঘরে যদি পোকামাকড়ের উপদ্রব হয়, তবে দেয়াল বা আসবাবের ফাটল, জানালার গরাদ, দরজার কাছাকাছি কিংবা গর্তের সামনে লেবু কেটে ফেলে রাখুন। এতে মাছি, তেলাপোকা ও পিঁপড়ার উপদ্রব কমবে।

৭. অ্যাজমা প্রতিরোধে লেবু উপকারী। প্রতিদিন খাবারের আগে দুই চামচ করে লেবুর রস খেলে অ্যাজমার উপসর্গ দূর হয়।

৮. যাঁরা পিতল বা তামার তৈজসপত্র ব্যবহার করেন, তাঁরা সেসব চকচকে রাখতে লেবুর রস লবণ মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। লেবু-লবণের মিশ্রণ ভালো করে বাসনকোসনে ঘষে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে চকচকে হবে।

৯. সাদা সবজি রান্নার সময়ও সাদা দেখাতে আঁচ দেওয়ার আগে এক চামচ সতেজ লেবুর রস যুক্ত করতে পারেন।

১০. প্রেশার কুকার বা চায়ের কেটলিতে জমে ওঠা খনিজ তলানি দূর করতে লেবুর খোসা বেশ কাজে লাগে। সে ক্ষেত্রে লেবুর খোসার পাতলা টুকরো কুকার বা কেটলিতে ভরে পানি দিয়ে সেদ্ধ করুন। এরপর পানি দিয়ে কচলে ধুয়ে ফেললে তা চকচক করবে। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

ওজন কমাতে কলা

 






ওজন কমাতে চান? আপনার খাবারের তালিকায় অবশ্যই কলা যুক্ত করুন। অনেকে ভাবেন, কলা খেলে ওজন বাড়ে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নানা উপায়ে কলা ওজন কমাতে সাহায্য করে। উপাদেয়, সস্তা, সারা বছর মেলে—এমন সবজি বা ফলের মধ্যে কলায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম। কলা শরীর ফুলে-ফেঁপে ওঠা ঠেকাতে পারে। তাই যাঁরা পেটের চর্বি কমাতে চান, তাঁরা খাদ্যতালিকায় কলা রাখতে পারেন।

কলায় কোলিনসহ সব ধরনের ভিটামিন বি আছে। এতে শরীরে চর্বি জমতে বাধা দেয়। বিশেষ করে, পেটের মেদ কমাতে নিয়মিত কলা খেতে পারেন। যাঁরা জাঙ্ক ফুডে অভ্যস্ত, তাঁরা এই অভ্যাস ছাড়তে কলা খেতে পারেন। যখন এ ধরনের খাবার খেতে ইচ্ছা হবে, তখন কলা খেলে খিদে মিটবে, আর পুষ্টিও মিলবে। কলা পাকস্থলীতে দরকারি ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে সাহায্য করে, যাতে খুব সহজে খাবার হজম হয়। খাবার ঠিকমতো হজম না হওয়ায় ওজন বাড়ে। তথ্যসূত্র: জিনিউজ।

বাদামের নানা গুণ

 

প্রাচীন ভারতীয় আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার করা হতো নানা প্রাকৃতিক উপাদান৷ এর মধ্যে অন্যতম ছিল বাদাম৷ আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা জানান, ত্বক সতেজ রাখতে তখন নানা ধরনের বাদাম বেটে তার প্রলেপ দেওয়া হতো শরীরে৷ চুলের যত্নে ব্যবহার করা হতো বাদামের তেল৷ সব মিলিয়ে বাদাম খাওয়া বেশ জরুরি। কারণ, ভেতর থেকে ত্বক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে বাদামের গুণাগুণ অপরিহার্য৷ ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালের পুষ্টিবিদ সালমা পারভীন জানালেন বাদামের তেমনই কিছু গুণের কথা৷

কাঠবাদাম
কাঠবাদাম শরীরের জন্য ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়৷ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে৷ কাঠবাদাম ওজন কমানোর পাশাপাশি কমায় হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি৷ তবে এক দিনে চার বা পাঁচটার বেশি কাঠবাদাম না খাওয়াই ভালো৷

কাজুবাদাম
ত্বক টান টান রাখার পাশাপাশি বয়স বাড়ার গতি রোধ করে কাজুবাদাম৷ এই বাদাম নিয়মিত খেলে পাকস্থলীর ক্যানসারের ঝুঁকি কমে৷ তাই প্রতিদিন সকাল বা বিকেলে খেতে পারেন চারটা করে কাজুবাদাম৷

পেস্তাবাদাম
দৃষ্টি ও হজমশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি পেস্তাবাদাম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে৷ এখন বাজারে অনেক ধরনের মসলা ও লবণযুক্ত প্যাকেটজাত পেস্তাবাদাম পাওয়া যায়৷ এগুলো না খেয়ে সরাসরি পেস্তাবাদাম খেলেই বেশি উপকার পাওয়া যাবে৷ কাজুবাদামের মতো পেস্তাবাদামও দিনে চারটার বেশি না খাওয়াই ভালো৷

চিনাবাদাম
চিনাবাদামেও আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়৷ নিয়মিত চিনাবাদাম খেলে লিভার ভালো থাকে৷ এ ছাড়া এই বাদাম রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে৷ নিয়মিত দিনে ১০ থেকে ১২টি চিনাবাদাম খেতে পারেন৷

আখরোট
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে আখরোটের জুড়ি মেলা ভার৷ আখরোট হাড় শক্ত করে৷ তাই দিনের খাবারের তালিকায় দুটি করে আখরোট রাখতেই পারেন৷

মনে রাখবেন
যেকোনো বাদামই পরিমাণের বেশি না খাওয়া ভালো৷ কারণ, বাদামে আছে প্রচুর ক্যালরি৷ তাই বেশি বাদাম খেলে ওজন বেড়ে হিতে বিপরীত হতে পারে৷

খাওয়ার পর একটু হাঁটার সুফল

 




খাওয়ার পর একটু হাঁটা ভালো, এ কথা সবাই জানেন। এ বিষয়ই এবার নিশ্চিত করলেন নিউজিল্যান্ডের গবেষকেরা। ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে, যাঁরা টাইপ-২ ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাঁরা খাওয়ার পর অবশ্যই একটু হাঁটবেন। এতে রক্তে চিনির পরিমাণ কমিয়ে সুফল বয়ে আনে। তাঁরা বলেন, দিনের যেকোনো সময় ৩০ মিনিট হাঁটার চেয়ে রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে খাওয়ার পর একটু হাঁটা ভালো।
‘ডায়াবেটোলোজিয়া’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ।
 
গবেষণা প্রবন্ধের লেখক অ্যান্ড্রু রেনল্ড বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে, খাওয়ার পর হাঁটলে রক্তে চিনির স্তর গড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত কম দেখায়। রাতের খাওয়ার পর হাঁটাহাঁটিতে সবচেয়ে ভালো সুফল পাওয়া যায়। রাতের খাওয়ার পর হাঁটাহাঁটিতে রক্তে চিনির পরিমাণ ২২ শতাংশ পর্যন্ত কমতে দেখা গেছে। তথ্যসূত্র: টিএনএন।

বিসিএস ও ব্যাংকের প্রস্তুতি : সমাবেশের অংকগুলোর শর্টকাট মেথড

█▓▒░  সমাবেশ ░▒▓█►


প্রথম পার্ট এ থাকছে:

>>>হ্যান্ডশেক + খেলার সংখ্যা + কর্ণ বের করার নিয়ম:<<<
=======================================

#ভালো বিষয়ে শিখতে হলে সময় নিয়ে মনযোগ দিয়ে পড়তে হবে:

----------------------------------------------------------------

    হ্যান্ডশেক অথবা কোলাকুলির অথবা খেলা অথবা কর্ণের প্রশ্নগুলো সমাবেশের সুত্র অনুযায়ী  করতে হয় কারণ এখানে ক, খ এর সাথে হ্যান্ডশেক করা মানেই খ, ও ক এর সাথে হ্যান্ডশেক হয়ে যাওয়া । আবার বাংলাদেশ –ভারত ম্যাচ মানেই ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ অর্থাৎ ধারাবাহিকতা উল্টিয়ে দিলেও উত্তর একই থাকে।

#মনে রাখুন :
 =>হ্যান্ডশেক অথবা কোলাকুলির জন্য দুজন লোকের প্রয়োজন
=>খেলার জন্য দুটি দলের প্রয়োজন।
=>কর্ণ তৈরীর জন্য দুটি বিন্দুর প্রয়োজন।

সুত্র: nCr  = n!/(n-r)!*r!
এখানে n হচ্ছে কতজন মানুষ বা কতটি দল অংশ নিচ্ছে এবং  প্রতিবার হ্যান্ডশেক অথবা খেলার জন্য দুটি দল লাগবে তাই r = সবসময় ২ ।

#প্রশ্ন: ০১.
4 জন লোক হ্যান্ডশেক করলে মোট কতটি হ্যান্ডশেক হবে?

#ব্যাখ্যা সহ সমাধান আগে  বুঝুন:

ধরি, তিনজন লোকের নাম A, B C D
হ্যান্ডশেক করার ধরণ হবে

A-B  A-C A-D (অর্থাৎ A হ্যান্ডশেক করতে পারবে মোট তিনটি )
B-C, B-D ( B হ্যান্ডশেক করতে পারবে মোট দুটি A এর সাথে হয়ে গেছে)
C-D (C হ্যান্ডশেক করতে পারবে একটি কারণ A এবং B এর সাথে আগেই হয়ে গেছে)

তাহলে মোট হ্যান্ডশেক হলো 3+2+1 = 6 টি।
(কিন্তু বড় সংখ্যা আসলে এভাবে ভাবা কঠিন হয়ে যায় তাই সুত্র সহ জানতে হবে)

এই প্রশ্নটিই সুত্র প্রয়োগ করতে গেলে লিখতে হবে
nCr বা 4C2 = 4!/ ((4-2)!*2! = (4*3*2*1)/2*2 =6

নিচের প্রশ্নগুলো দেখুন:

#প্রশ্ন: ০২.
Five members were present at a board meeting. Each member shook hands with all of the other members before the meeting. How many handshakes took place?  [M.T.B.L.Off: 13]
a.10        
b.11      
c.15        
d.5    

সমাধান: সুত্র প্রয়োগ করে: 5C2 = 5!/ ((5-2)!*2! =5!/ 3!*2! = 10

#মুখে মুখে করার জন্য:
 যত জনই দেয়া থাক, তার পূর্বের সংখ্যার সাথে ঐ সংখ্যাটি গুণ করে ২ দিয়ে ভাগ করলেই উত্তর বের হয়ে যাবে। নিচের গুলো করেই দেখুন, কয়েকটি করলে নিজেই বুঝতে পারবেন।

উপরের প্রশ্নটিই সুত্র ছাড়া : উত্তর: 5*4/2 = 20/2 = 10

#প্রশ্ন: ০৩.
10 members were present at a board meeting. Each member shook hands with all of the other members before the meeting. How many handshakes took place?
a.90        
b.45      
c.100      
d.80       (নিজে চেষ্টা করুন:)

সারা পৃথিবীতে যত খেলার টুর্ণামেন্ট হয় তা এই নিয়ম অনুসারে হয়।

#প্রশ্ন: ০৪:
বিপিএল/আইপিএল এ ৮ টি দল প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে একটি করে ম্যাচ খেললে মোট কতটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে?
মুখে মুখে: ৮*৭/২ = ২৮টি
আবার প্রত্যেক দলের সাথে দুটি করে ম্যাচ খেললে এভাবে বের করে ২ দিয়ে গুণ। অর্থাৎ ২৮*২ = ৫৬টি।

#প্রশ্ন: ০৫:
In a football league each team plays with every of the other teams twice. If the number of teams is 5 then what will be the total number of matches? [EMBA `DU` 10] & [Dutch Bangla Bank `MTO`12]
a. 10
b. 20
c. 9
d. 19
e. none of these

 #Solution: (b)
5*4/2 =20/2 = 10 তারপর দুটি করে খেলবে তাই 10*2 = 20টি।

কর্ণ বের করতে বললেও এই নিয়ম: কারণ দুটি বিন্দুর যোগফল ই একটি কর্ণ হয়। আবার কর্ণ AB  আর BA দ্বারা একই কর্ণ বোঝায়। তবে এক্ষেত্রে যে সরল রেখাগুলো বাহিরের সীমানায় থাকে সেগুলোকে কর্ণ নয় বরং বাহু বলে। তাই বাহুগুলো বিয়োগ করতে হয়। যেমন:

#প্রশ্ন: ০৬:
একটি পঞ্চভুজের কতটি কর্ণ আছে?
উত্তর: ৫*৪/২ = ১০টি সরলরেখা যেখানে ৫ টি বাহু। তাই কর্ণ = ১০-৫ = ৫টি।

#প্রশ্ন: ০৭:
How many diagonals does a 63-sided convex polygon have? (Al-Arafah IB MTO 2011)
a.3780
b.1890
c.1850
d.3969

•Solution: (b)
Total diagonals = (Total lines – Total side)
So,   63C2 – 63 = 63*62/2 - 63 =1953-63= 1890

কতটুকু বুঝলেন নিজের মাথা খাঁটান:

#প্রশ্ন: ০৮:
A polygon 7 sides. How many diagonals can be formed?
a.14
b.7
c.15
d.21

এটা একটু উল্টোপাশে ভাবুন: (কমন পেতে পারেন)

#প্রশ্ন: ০৯:
At a party, everyone shook hands with every body else. If there were 66 handshakes, how many people were at the party? (একটি পার্টিতে কিছু লোক উপস্থিত ছিল। তারা প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে হ্যান্ডশেক করায় মোট ৬৬ টি হ্যান্ডশেক হলো। ঐ পার্টিতে মোট কত জন উপস্থিত ছিল??)  (RAKUB Senior off:-2015)+ (Jamuna Bank. Pro. Off.-2014) +(BB A D:-12)
a. 9  
b. 15
c. 10
d. 12

courtesy :khairul Math

BCS Written English : Summary কিভাবে লিখতে হবে।

বিসিএস রিটেনে Summary ২০ নম্বরের। কিভাবে Summary লিখতে হবে তা অনেকেই জানেনা।ভালভাবে Summary লিখতে না জানলে ভাল নম্বর পাওয়া যাবেনা।
এবার আসুন দেখে নিই কিভাবে Summary লিখতে হয়।

★Title দিতে হবে।
★ এক প্যারায় লিখতে হবে।
★নিজের ভাষায় লিখতে হবে।
★First and Second person ব্যবহার না করে Third person এ লিখতে হবে।
★Comprehension এর Quotation বাদ দিতে হবে।
★Comprehension এর Example বাদ দিতে হবে।
★Extra Data/Figure বাদ দিতে হবে।
★ দুই কমার ভিতরে যা আছে তা বাদ দিতে হবে।
★Proverb বাদ দিতে হবে।
★phrase idioms পুরোপুরি বাদ দিতে হবে।
★Complex Sentence কে Simple Sentence এ লিখতে হবে।
★Explanation বাদ দিতে হবে।

বিসিএস লিখিত পরীক্ষার গণিত অংশের নতুন সিলেবাসের আলোকে মানবণ্টন

যারা বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা দিবেন তারা হয়তও অনেকেই জানেননা লিখিত পরীক্ষার মানবণ্টন।অর্থাৎ পাটিগণিত থেকে কত আসবে কিংবা বীজগণিত বা জ্যামিতি বা ত্রিকোণমিতি থেকে কত নম্বরের প্রশ্ন হবে অথবা কয়টা প্রশ্ন হবে।এখানে।আমরা প্রত্যেকটা বিষয়(পাটিগণিত, বীজগণিত, জ্যামিতি, ত্রিকোণমিতি) আলাদাভাবে প্রশ্নের মানবণ্টন দিয়েছি।আশা করি আপনারা উপকৃত হবেন।

স্টার(★★★) চিহ্নিত টপিকগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তাছাড়া আগামীতে সৃজনশীল প্রশ্নও হতে পারে সেক্ষেত্রে প্রস্তুতিটা সেরকমই চাই।তো আর দেরি কেন?আজই।শুরু।করে দিন আপনার প্রস্তুতি।

জেনে নিন ২১ পদের ভর্তার রেসিপি

ভর্তার রেসিপি :
০১। আলু ভর্তা:
আলু আধা কেজি সিদ্ধ করে চটকে নিন। এবার পাত্রে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে শুকনা মরিচ ভেজে পেঁয়াজ কুঁচি দিন। পেঁয়াজ বাদামী রং হলে পেঁয়াজ মরিচ লবণ দিয়ে চটকে আলু দিন এবার ধনেপাতা কুঁচি দিয়ে মেখে ভর্তা বানিয়ে নিন।

০২। বেগুন ভর্তা:
উপকরণ: বড় গোলবেগুন ১টি, সরিষা বাটা ১ চা চামচ, নারকেল মিহি বাটা ২ চা চামচ, টমেটো কুঁচি১ কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি আধা কাপ, মেথি আধা কাপ, রাধুনী সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: বেগুনের গায়ে তেল মাখিয়ে পুড়িয়ে নিন। এবার পানিতে রেখে খোসা ছাড়িয়ে মেখে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে মেথি ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি দিন। পেঁয়াজ একটু নরম হলে টমেটো সরিষা, নারকেল, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে বেগুন দিন। কড়াইয়ের তলা ছেড়ে এলে এবং একটু আঠালো হলে নামিয়ে নিতে হবে।

০৩। মসুর ডালের ভর্তা:
উপকরণ: মসুর ডাল ১ কাপ, পানি ৩ থেকে সাড়ে ৩ কাপ, রসুন কুঁচি আধা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ চা চামচ, লবণ আধা চা চামচ, কাঁচামরিচ ফালি ২টি, তেল ১ চা চামচ।
প্রণালী: সব উপকরণ দিয়ে ডাল সিদ্ধ করতে হবে। ঘন থকথকে হলে নামাতে হবে।

০৪। টমেটো ভর্তা:
উপকরণ: ছোট টমেটো ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ মিহি কুঁচি ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ২টা, ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি ১ চা চামচ, সরষের তেল ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ।
প্রণালী: শুকনা মরিচ তাওয়ায় টেলে বিচিসহ গুঁড়ো করে নিতে হবে। টমেটোর গায়ে তেল লাগিয়ে তাওয়ার ওপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় তুলে সব দিক সমানভাবে পুড়িয়ে নিতে হবে। ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে চটকে পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, তেল, চিনি, লেবুর রস, ধনেপাতা দিয়ে মেখে ভর্তা করতে হবে।

০৫। টাকি মাছের ভর্তা:
উপকরন: টাকিমাছ ১ কাপ,পেঁয়াজ,স্লাইস ৩ টে.চা ,আদা,রসুন,বাটা ১ চা. চা,পেঁয়াজ পাতা ২ টে. চা ,জিরা,বাটা ১ চা. চা,রসুন,ছেঁচা ২ টে. চা,ধনে,বাটা ১ চা. চা ,লবণ,স্বাদ অনুযায়ী,হলুদ,বাটা ১/২ চা. চা ,মরিচ,বাটা ১ /২ চা. চা
প্রনালী: মাছ সিদ্ধ করে কাটা বেছে ১ কাপ মেপে নাও।,তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা বাদামী রং করে ভেজে বাটা মসলা ও সামান্য পানি এবং রসুন দিয়ে কষাও। কষানো হলে পেয়াজপাতাসহ কচি পেঁয়াজ দিয়ে নাড়। মাছ দিয়ে নেড়ে নেড়ে ভাজ। লবণ দাও। মাছ হালুয়ার মতো তাল বাঁধলে নামাও। মাছ যেন ঝুরি এবং শুকনা না হয়।এর পর আপনি চাইলে হাত দিয়ে গোল গোল বল বানিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার টাকি মাছের ভাজা ভর্তা।

০৬। কালিজিরা ভর্তা:
উপকরণ: কালিজিরার আধা কাপ, রসুনের কোয়া ২ টেবিল-চামচ, কাঁচামরিচ ৮টি, পেঁয়াজ কুঁচি ৪ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালী: রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। তেল বাদে সব উপকরণ পাটায় বেটে তেল দিয়ে মেখে ভর্তা করুন।

০৭। আলু ডিম ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: ডিম ২টি, আলু ১টি (মাঝারি সাইজের), কাঁচামরিচ কুঁচি ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুঁচি ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: আলু এবং ডিম সেদ্ধ করে নিন। খোসা ছাড়িয়ে আলু এবং ডিম আলাদাভাবে চটকে নিন। এবার পেঁয়াজ কুচি, লবণ এবং আধা চা চামচ সরিষার তেল দিয়ে ডিম ও আলু ভালোভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন।

০৮। পালংশাক ভর্তা:
উপকরনঃ পালংশাক ২০০ গ্রাম , কাঁচা মরিচ/ শুকনা মরিচ ভাজা ৫ থেকে ৬ টি পেয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ। লবণ ও সরিষার তেল -নিজের পছন্দ মত।
প্রনালীঃ প্রথমে পালংশাক ভাল করে ধুয়ে বড় করে কেটে যে কোন পাত্রে সিদ্ধ করে নিন। শাক সিদ্ধ হয়ে গেলে পেয়াজ কুচি, মরিচ ও লবণ হাত দিয়ে চেটকিয়ে মিহি করুন। তারপর সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে পরিবেশন করুন। শীতের দিনে গরম গরম ভাতের সাথে শাক ভর্তা অনেক সুস্বাদু লাগে।

০৯। লাউশাক ভর্তা:
উপকরণ: লাউয়ের পাতা ৬-৭টা, নারকেল কুড়ানো ৪ চা চামচ, সরিষা ২ চা চামচ, সেদ্ধ কাঁচামরিচ ২টা, প্রয়োজনমতো লবণ।
প্রণালী: লাউশাক ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ করুন। শাকের সাথে কাঁচামরিচও সেদ্ধ করুন। শাক সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার নারকেল কুড়ানো, সরিষা, লবণ, সেদ্ধ করা শাক ও কাঁচামরিচসহ পাটায় পানি ছাড়া বেটে ভর্তা তৈরি করুন।

১০। কাচকি মাছ ভর্তা
উপকরণ: কাচকি মাছ এক কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ, রসুন কুচি ২ চা চামচ, কাঁচামরিচ ৪টি, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: কাচকি মাছ ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। কাচকি মাছ, পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, কাঁচামরিচ অল্প তেলে কড়াইতে হালকাভাবে ভাজুন। ভাজা হলে লবণ ও ধনেপাতা দিয়ে পাটায় বেটে ভর্তা তৈরি করুন।

১১। করল্লার ভর্তা
করল্লা ধুয়ে খুব মিহি করে কুঁচি করে নিন। এবার করল্লা কুচি চটকে নিয়ে পেঁয়াজ, কাচা মরিচ, লবন এবং তেল দিয়ে ভর্তা তৈরি করুন।

১২। ছুরি শুঁটকি ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: ছুরি শুঁটকি ছোট করে কাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ, শুকনা মরিচের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, তেল আধা কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, তেজপাতা ১টি, কাঁচামরিচ চার টুকরা করে কাটা ৬টি।
প্রণালী: শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ করে বেটে নিতে হবে। তেল গরম করে আদা-রসুন দিয়ে ভালো করে ভুনে শুঁটকি দিয়ে ভুনতে হবে। হলুদ, ধনে, মরিচের গুঁড়া, তেজপাতা, লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে ৮-১০ মিনিট ভুনে পেঁয়াজ দিয়ে ভুনতে হবে। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে চিনি, লেবুর রস, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।

১৩। ধনেপাতার চাটনি:
উপকরণ: টাটকা ধনেপাতা বড় ২ আঁটি, রসুন ২ কোয়া, তেঁতুল ১ টেবিল চামচ। কাঁচামরিচ ১টি, চিনি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: ধনেপাতার কচি ডগা ও পাতা বেছে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। ধনেপাতা, রসুন, কাঁচামরিচ, তেঁতুল, লবণ ও চিনি সব একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি করে কেটে নিন। সামান্য ঝাল, মিষ্টি ও টকটক স্বাদ হবে।

১৪। সরিষা ভর্তা:
উপরকণ: লাল সরিষা ৪ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ১টি, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: সরিষা ভালো করে বেছে ধুয়ে কাঁচামরিচ এবং লবণ দিয়ে শিলপাটায় বেটে নিন।

১৫। কাঁচকলা ও ইলিশ মাছের ভর্তা:
উপকরণ : কাঁচকলা ২টি (মাঝারি), ভাজা ইলিশ মাছ ২ টুকরা (কাঁটা ছাড়ানো), শুকনো মরিচ ভাজা ২টি, কাঁচামরিচ কুচি ২টি, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ২ চা চামচ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালি : কাঁচকলা ডুবো পানিতে সেদ্ধ করুন। কলার খোসা ছাড়িয়ে চটকে রাখুন। এবার ইলিশ মাছ, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, লবণ ও তেল একসঙ্গে মাখুন। মাখা হলে কাঁচকলা দিয়ে ভালো করে মেখে গরম গরম পরিবেশন করুন।

১৬। কচু নারকেল ভর্তা:
উপকরণ : কচু কিমা ১ কাপ, নারকেল বাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, শুকনো মরিচ ভাজা ৩-৪টি, সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ, পুদিনাপাতা কুচি অল্প পরিমাণ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালি : প্রথমে এক টুকরো কচুকে পুড়িয়ে বা সেদ্ধ করে ভালো করে মাখিয়ে কিমা তৈরি করুন। একটি ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি, শুকনা মরিচ কুচি দিয়ে বাদামি করে ভেজে তাতে কচু কিমা ও নারকেল বাটা দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার পুদিনাপাতা কুচি ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে গরম ভাতে পরিবেশন করুন মুখরোচক কচু নারকেল ভর্তা।

১৭। থানকুনি পাতার ভর্তা:
উপকরণ : থানকুনি পাতা ১ কাপ, কাঁচামরিচ ২টি, রসুনের কোয়া ২টি, লবণ স্বাদ মতো, তিল ২ টেবিল চামচ, কালিজিরা ১ চা চামচ।
প্রণালি : সব একসঙ্গে বেটে (সব পাতা ধুয়ে পানি মুছে নিতে হবে) ভর্তা তৈরি করতে হবে। এরপর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

১৮। পেঁয়াজ পাতা ভর্তা:
উপকরণ: ১ ইঞ্চি লম্বা করে কাটা পেঁয়াজ পাতা ২ কাপ,সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ,পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,শুকনামরিচ ২টি,কাশুন্দি ১ চা চামচ,লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: ফ্রাই প্যান অথবা কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ পাতা ছেড়ে দিয়ে অল্প আঁচে ২-৩ মিনিট নাড়ুন। পেঁয়াজপাতা নরম হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এবার শুকনামরিচ, পেঁয়াজ কুচি ও লবণ ভালোভাবে ডলে পেঁয়াজ পাতা ও কাশুন্দি দিয়ে হালকাভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন। গরম ভাতের সাথে এই ভর্তা খেতে মজা ।

১৯। লাউ এর সিলকা ভর্তা :
উপকরণ: লাউ এর সিলকা-৩ কাপ, শুকনা মরিচ পোড়ানো-৪/৫টি, লবণ-পরিমাণ মতো, ধনে পাতা-সিকি কাপ, পিঁয়াজ কুচি-সিকি কাপ, সরিষার তেল-২ টেঃ চামচ।
প্রণালী: লাউ-এর সিলকা ধুয়ে পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। এবার তেলের মধ্যে লাউ এর সিলকা ভেজে নিন। শুকনা মরিচ ভেজে নিন, পিঁয়াজ ভেজে নিন। ধনে পাতা কুচি করে নিন। এবার লাউ এর সিলকা, শুকনা মরিচ, পিঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা কুচি সব এক সাথে পাটায় মিহি করে বেটে নিন। হয়ে গেল লাউ এর সিলকা ভর্তা।

২০। চিনাবাদাম ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: চিনাবাদাম ভাজা (খোসা ছাড়া) ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ ৪-৫টি, ধনেপাতা কুচি ১ আঁটি, সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালি: কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। বাদামের লাল খোসা ঘষে তুলে ফেলে, পাটায় বেটে নিতে হবে। কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। এবার তেলের সঙ্গে পেঁয়াজ, লবণ, ধনেপাতা কুচি চটকে বাদাম ও কাঁচামরিচ বাটা দিয়ে মাখাতে হবে।গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

২১। মিষ্টি কুমড়ার ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: মিষ্টি কুমড়া ২ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, পানি ১ কাপ, ধনেপাতা কুঁচি, ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি ৪/১ কাপ।
প্রণালী: মিষ্টি কুমড়া খোসা ছাড়িয়ে কেটে ধুয়ে পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এবার সিদ্ধ করা মিষ্টি কুমড়ার সঙ্গে সব উপকরণ খুব ভালো করে মেখে নিন। হয়ে গেল মজাদার মিষ্টি কুমড়ার ভর্তা।

Popular Posts

Adsence Advertise